Skip to content

দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন

বাংলার উৎসব

দেওয়ান নাসের রাজা  (১) ফাল্গুন  পলাশ রঙে রাঙিয়ে দিয়ে কে দিল যে ছোঁয়া  ঝিরিঝিরি উতল বাতাস স্তব্ধ আকাশলীনা  শিমুল রাঙা উড়িয়ে আঁচল হাসল দুই ঠোঁট  কমলা ঠোঁটে দৃষ্টি উদাস—শানবাঁধানো ঘাটে।  নারকেল পাতা যেমন নড়ে—বুকের ভেতরবাংলার উৎসব

এ ক টি   নী ল   খা ম

বিদ্যুৎ সরকার, টরন্টো   কিছুদিন আগে পাওয়া মা’র চিঠি আমাকে কিছুটা বিচলিত করে দিল। পূজোর ছুটিতে এবার কোলকাতায় যেতে বলেছে। বাবার নির্দেশ কোনভাবে বুঝিয়ে – সুঝিয়ে পার পেলেও মা’র বেলায় তা কোনভাবেই সম্ভব হয় না।এ ক টি   নী ল   খা ম

বাঁদনা পরব বা বাঁধনা  পরব

সঙ্গীতা মাহাতো পুরুলিয়া  ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্য এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুরুলিয়া জেলা, ঝাড়গ্রাম জেলা, বাঁকুড়া জেলা, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কুড়মি, বাউরী, রাজুয়ার ,সাঁওতাল ,নাপিত ,কুইরি, বাগাল, কুমহার, গোয়ালা প্রভৃতি জাতিদের কৃষিভিত্তিক উৎসব। এটি প্রতিবছর কার্তিক মাসেরবাঁদনা পরব বা বাঁধনা  পরব

বাংলাদেশের চাকমা জনগোষ্ঠীর উৎসব এবং সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

লিটন চাকমা   উৎসব বলতে সাধারণত সামাজিক ও ধর্মীয় এবং ঐতিহ্যগত প্রেক্ষাপটে পালিত আনন্দ অনুষ্ঠানকে বোঝানো হয় । সমাজ  মূলত এমন এক ব্যবস্থাকে বোঝানো হয় যেখানে একাধিক চরিত্র একত্রে কিছু নিয়মকানুন প্রতিষ্ঠা করে একত্রে বসবাসেরবাংলাদেশের চাকমা জনগোষ্ঠীর উৎসব এবং সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

অমর-নখ্T ২৪২৪

(কল্পবিজ্ঞান কাহিনি — প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য) মহাযাত্রিক দ্বিতীয় পর্ব সূর্যাস্তের অতিরিক্ত মিনিট ভেরোনার আকাশে আজ সূর্যাস্ত দেরিতে নামল। ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক রেজিস্ট্যান্স কোটার অতিরিক্ত মিনিটটা যেন আকাশের চামড়ায় আঙুল বোলানোর মতো লেগে রইল। বারান্দার স্বচ্ছ রেলিং ধরে দাঁড়িয়েঅমর-নখ্T ২৪২৪

বারো মাসে তেরো পার্বণ

মনীষা বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তিনিকেতন “সংসারে প্রতিদিন আমরা যে সত্যকে স্বার্থের বিক্ষিপ্ততায় ভুলিয়া থাকি উৎসবের বিশেষ দিনে সেই অখণ্ড সত্যকে স্বীকার করিবার দিন–এইজন্য উৎসবের মধ্যে মিলন চাই। একলার উৎসব হইলে চলে না। ” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বারো মাসেবারো মাসে তেরো পার্বণ

পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

(১) অন্যের বাড়ি অর্ধেক জীবন গেলো, অন্যের বাড়িতে কাটালামসে কখনো বলেনি, “আর কত, এবারে আসুন না হয়,”কখনো হয়নি রাগত।মোড়া পেতে, থালাবাটি, পঞ্চান্ন ব্যঞ্জন, হাসিমুখখাঁটি দুধ, পুরুষ্টু শবরী কলা, বাসমতী, গুণকীর্তন।প্রকৃতই ভদ্রলোক, সদাশয়, অতিথিপরায়ণ।দুই হাতে বরাভয়।পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

যে উৎসবে সঙ্কীর্ণতা নেই

আজমল হুসেন আমাদের অর্থাৎ বাঙালি জাতির অস্তি-মজ্জায়, রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে আছে উৎসব। তাই অনেকেই আমাদেরকে পৃথিবীর সবচেয়ে উৎসবপ্রিয় জাতি বলে আখ্যায়িত করে থাকেন। যে সকল বাংলাভাষী চিন্তায়, চেতনায়, ভাবনায়, আবেগে আর দৈনন্দিন কার্যকলাপে অসাম্প্রদায়িকতা, সহমর্মিতা,যে উৎসবে সঙ্কীর্ণতা নেই

বেড়া ভাসান মেলা : ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদ 

অর্ঘ্য রায়চৌধুরী  গঙ্গা ও পদ্মা বিধৌত এই বিরাট বঙ্গদেশে বিবিধ প্রকার মেলার জন্ম হয়েছে‌। অবিভক্ত বঙ্গের দিকে যদি অবলোকন করি, তাহলে বাঙালির ধর্মীয় এবং সামাজিক সহাবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বাংলার জনপদে বহু বিচিত্র এবং বর্ণময় মেলারবেড়া ভাসান মেলা : ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদ 

সহরায়

পরিমল হাঁসদা, বাঁকুড়া ভারতের আদি অধিবাসী তথা আদিবাসীদের মধ্যে সাঁওতাল অন্যতম। জনসংখ্যার দিক থেকে গোন্ড ভিলের পরেই তাঁদের স্থান। ভারতের অন্যান্য অনেক আদিবাসীদের ভাষা সংস্কৃতি হারিয়ে গেলেও সাঁওতালদের মধ্যে টিকে আছে তা অবিকৃত অবস্থায়। সাঁওতালরাসহরায়

error: Content is protected !!