অর্ঘ্যকুসুম
প্রবীর ঘোষ রায় তুমি চাও তাই ফিরে আসিনইলে আমার কোনও পিছুটান নেইকিছু গান বারবার শুনতে ইচ্ছে হয়তার মানে এই নয়আমি দীন ভিখিরির মতোকুঞ্জবনে রয়ে যাব অপেক্ষানিরতকবে সুরে বাঁধা হবে তার, কখন সময় হবেজ্যোৎস্নায় পরি নেমেঅর্ঘ্যকুসুম
প্রবীর ঘোষ রায় তুমি চাও তাই ফিরে আসিনইলে আমার কোনও পিছুটান নেইকিছু গান বারবার শুনতে ইচ্ছে হয়তার মানে এই নয়আমি দীন ভিখিরির মতোকুঞ্জবনে রয়ে যাব অপেক্ষানিরতকবে সুরে বাঁধা হবে তার, কখন সময় হবেজ্যোৎস্নায় পরি নেমেঅর্ঘ্যকুসুম
কাজী রাফি আমার শৈশবের ঈদের দিনগুলো শুধু ঈদের কারণে আনন্দময় ছিল না বরং এই দিনে আকাশে-বাতাসে ছড়িয়ে থাকা অভূতপূর্ব এক শান্ততার দৃশ্যকল্প আমার শিশুমননে অনন্য প্রভাব বিস্তার করেছিল। ‘বাইরে মাঠে-ঘাটে, গঞ্জে, বাজার এলাকায় কোথাও কেউআমার শৈশবের ঈদের দিনগুলি
ইশতিয়াক রুপু যতই নামুক কাল বৈশাখী থাকবে রোদের খেলা ঠিক আমাদের টেনে নিলো বোশেখের মেলা। বৈশাখ আমাদের সার্বজনীন উৎসব।হাওর পাড়ে বৈশাখ, স্বপ্নে বুনা বাকী সময় সুখে কাটানোর সবাক চিত্র।বাঙালী সমাজে বৈশাখ উৎসব পালনের ইতিহাস হাজার বছরের।উৎসবহাওরে বৈশাখ স্মৃতি
ছন্দা পাল, বীরভূম আমরা সকলেই জানি যে বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ এই পার্বণ গুলির অন্যতম গ্রাম বাংলায় ব্যাপক হারে পালিত একটি উৎসব যেটি হল নবান্ন উৎসব। ‘নবান্ন’ অর্থাৎ নব অন্ন যার অর্থ হলো নতুনবাংলার উৎসব – নবান্ন
তপতী ঘোষ খ্রিষ্ট ধর্মের সর্ববৃহৎ বাৎসরিক উৎসব হলো পঁচিশে ডিসেম্বর, যা বড়োদিন নামে পরিচিত।এই দিন যীশুখৃষ্ট জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর এই জন্মদিনটি নিয়ে নানান বিতর্ক আছে। প্রাচীন কালে রোমানরা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি কখনো বা ডিসেম্বরের শেষে সূর্যেরখ্রিষ্ট উৎসব
বর্ণালী বসু “হে অপ্রতিম,প্রমাদ গণেছি আজ..সন্তপ্তচিত্তে এই স্তূপমূলেএনেছি এ শূন্য দীপদান..” তথাগত নিরুত্তর।পলক নিমীলনথাকে অব্যাহত।কিছুক্ষণ। নীরবতা বিদ্ধ করেদীর্ণ করে ,একটি মাত্র পলসুদীর্ঘ,অপ্রমেয়মনে হয়।হঠাৎ শ্রবণ সচকিত,গম্ভীর সম্ভাষণে“সুপ্রিয়,আধারের ইন্ধনবিন্দুনিঃশেষেকরেছ লেহন বৎস,তাই নির্বাপিতপ্রায়প্রদীপ্ত সে চেতনাবহ্নি..ক্ষেত্রসম্ভবসকলই বিনষ্টকরেছ ভেদে,অপর ধর্মেরপ্রতিদীপদান
ফারজানা নাজ শম্পা ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, কানাডা বাংলাদেশ ও বাংলার মানুষ উৎসবপ্রিয় জাতি। উৎসব মানে কী? সংস্কৃতে অনুষ্ঠানকে ‘উৎসব’ বলা হয়। ‘উৎ’ অর্থ ওঠানো বা উত্তোলন করা, ‘সব’ অর্থ সকল। জীবনসংগ্রামে রত মানুষের জীবনের উৎসব বয়েবাংলাদেশের উৎসব: ঐতিহ্য, আনন্দ ও সম্প্রীতির রঙে রাঙানো