Skip to content

দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন

শারদীয়া সংখ্যা ১৪৩২

অক্ষরে ধার দেওয়ার কথা

জয়িতা সরকার

বৈদ্যবাটী, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

লেখার পাতায় শান লাগিয়ে
আমি কিন্তু অস্ত্র-ছাঁচে ঢালতে পারবো।
কাব্যলিপির কাগজ পাকাই রোজ রোজ…
একদিন তো কঠিন হবেই।
ঢিলের মতন ফেলতে পারবো।
তারপর?

তারপর তো বোলতা উড়বে, হূল ফুটবে, রক্ত ছুটবে ইত্যাদি…
ভাবছি তবু, ঝরুক রক্ত শক্ত মনের শক্তি তবুও দৌড়াক।
ফুটুক গে হূল, তার আগে তো ফুল ফুটবে নির্বাক!
দোষী ও দোষ জেনেও দুচোখ ন্যাকার মতন বুজেই রাখি।
খুলতে পারবো।

এই যে আমার শব্দচয়ন আতুপুতু,
বেঁচে মরায় কেমন যেন কাতুকুতু…
সবটা ভুলে বর্ণ নিয়ে ভীষণ আগুন জ্বালতে পারবো।
তারপর?
মেললে পাখা পুড়বে পালক! আচ্ছা পুড়ুক,
মৌমাছি দল – বোলতা উড়ুক…
ভাবছি স্বয়ং শিবই চালক…ইত্যাদি…

ভাবছি, ভীষণ সাহস করেই বন্দী কথার মুক্তি দেই,
আসল-নকল ভেদ ভোলানো শিল্প খুঁজে শান্তি নেই।
‘পড়শি যদি আমায় ছুঁতো’, আহা অহম্…
চৈতন্য আলোকমালা নিখাদ সত্তা ইত্যাদি।
তারপর?

সেসব ভেবে মন্ত্র খুঁজছি যন্ত্র খুঁজছি
অক্ষরকে শান দিতে।
সুরে কথায় ছন্দে তালে গান দিতে।
বর্ণমালায় দিক দিগন্ত ভরতে পারবো,
গড়তে পারবো বিমল সজল কৃষিক্ষেত্র সুফলা।
কলমটা কি লাঙল ফলা?
এই হেমন্তে কিছু ফসল করতে পারবো।

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

আরও পড়ুন

error: Content is protected !!
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x