Skip to content

দুই বাংলার সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন

শারদীয়া সংখ্যা ১৪৩২

জর্জ এলিয়ট ক্লার্কের কবিতা

মূল : কানাডার কবি জর্জ এলিয়ট ক্লার্ক

(পোয়েট লরিয়েট)

ভাবানুবাদ : ফারজানা নাজ শম্পা

ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, কানাডা



যাত্রা শুরু

কলমটি কাগজ ছুঁয়ে গেয়ে ওঠে,
ভেতরটা খালি করে ভাবনারা ঝরে।

হাড্ডিসার, দাঁত ঝলমলে, চোখে চশমা—
আমি বোতলটাকে শব্দে শেষ করি।

কুঁকড়ে, কাঁপে,
চিন্তার রেখায় আঁকা নীল কাব্য।

ক্ল্যারিনেটগুলো ফোঁটা ফোঁটা ঘাসফুলের মতো,
মদ ঢুকে পড়ে নিষিদ্ধ বিকেলে।

জিপসি মেয়েরা গায়, “শান্তি, নিয়ম, নীতি সুশাসন”
ঘুম আর জাগরণের মাঝখানে স্বপ্নেরা উড়ে।

ছন্দ যেন অপেরা, ইতিহাস এক জাদুঘর,
গালাগাল দিয়ে পৃষ্ঠা ভাসে।

শেষে, কবিরা কী বলবে?
যখন আমার সুর নিঃশেষ হয়?

__________

আত্মজীবনী

আমি নিজেকে দেখি
অক্ষম, অমার্জিত, বিস্মৃত
চল্লিশের ছুঁইছুঁই, একজন হৃদয়হীন সরল মানুষ।
উঁচু বাঁকা দাঁতের, উচ্চ স্বরে হো হো করে হাসা
একজন হৃদয়হীন তথাকথিত কবি,
সেই আমার হাতে কালি ফোঁটা অনেকটা বোমা
বিস্ফোরণের ধ্বংসাবশেষের মতো অবশিষ্ট থাকে।

__________

.
ভোজ-পরবর্তী অনুভূতি

তোমার মুখে আমি বারবার ফিরে আসি,
ও প্রিয়তমা।
ব্র্যান্ডির নিঃশ্বাস, ক্লান্তিকর রুটির দীর্ঘশ্বাস
আর রেশমি চাদরে ধরা পড়ে মার্ডির ঘ্রাণ—ইস্টার আর ক্রিসমাস উৎসবের আমেজ।
ক্যান্ডি অ্যাপল, কালভাদোস ব্র্যান্ডির মতো,
সোনালি সুন্দর চোখ,
মার্টিনির থেকেও বেশি মোহময়…
চুম্বনের মতো ঠোঁট হারায় যেন সাগরের তীরে,
যেমন সমুদ্র ভেঙে পড়ে তটরেখায়।
প্রথমে আসে উৎকৃষ্ট মদ,
ক্রমান্বয়ে আমাদের পশু প্রবৃত্তিতে আসে কিছুটা
মার্জিত ভাব, রোমাঞ্চ, হাসির সতেজতা।
এইভাবে আমরা হারিয়ে নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে
নিঃশেষ হয়ে যাই—
এক অলিম্পিক যৌনতা, কামনার খেলা আর
স্বর্ণপদক-প্রাপ্ত আত্মআবেগ এগিয়ে যায়।

Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments

আরও পড়ুন

error: Content is protected !!
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x