সুজয় আদক
কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
প্রতিধ্বনিমুখরিত সেই অঞ্চলে
রণশব্দ ভেসে এল রাতের কল্লোলে
সংশয়ী হাওয়া ছিল সতত সঞ্চারে
বজ্রমেঘ জমে ওঠা তমসার তীরে।
শুরু হল পরিকীর্ণ বঞ্চনার কাল
ছলনার রঙে আঁকা দিকচক্রবাল
নির্জনে ছিল যত প্রকৃতির ছবি
সীমারেখা টেনে দিল যোগিনী ভৈরবী।
ছায়ার আড়াল থেকে সেই ঘোররাতে
নিঃশব্দে নেমে এল আঁধার-দেবতা
সোনালী আপেল দিয়ে যুবকের হাতে
ভুল শব্দে ঢেকে দিল মৃত্যু-প্রবণতা।
কুয়াশার আবরণে তখন গোপনে
রক্তবীজ মিশে গেল কুটিরের কোণে
ধ্বংসের উল্লাসেতে দশদিক ঢেকে
ঝোড়ো হাওয়া গেল পদচিহ্ন রেখে।
সব দৃশ্য সারা হলে সাঙ্গ হলে পালা
শেষ হলে রাজা মন্ত্রী অমাত্যর খেলা
খড়কুটো উড়ে গিয়ে পথপার্শ্বে মেশে
সবশেষ হয়ে যাওয়া নিরন্নর দেশে।
তারপর একদিন বহু ক্রোশ ঘুরে
শববাহী যান এল শরণার্থীপুরে
সেই শব ফিরে আসে উৎসব রাতে
হাতছানি দিয়ে বলে, ‘চলে আয় সাথে!’